দশমিনায় মাথা ফাটিয়ে লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ দশমিনায় মাথা ফাটিয়ে লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ - For update barisal news visit barisallive24.com
বরিশাল, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং। সর্বশেষ আপডেট: ৪ ঘন্টা আগে
শিরোনাম

বরিশাল লাইভ ডেস্ক


দশমিনায় মাথা ফাটিয়ে লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮ ১০:৫৮ অপরাহ্ণ

দশমিনা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা: টর্চ লাইট দিয়ে মাথা ফাটিয়ে পটুয়াখালীর দশমিনায় মো: বাবুল প্যাদা (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ীর ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১ টায় উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের পূর্ব আলীপুর রমানাসা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের পূর্ব আলীপুর রমানাসা গ্রামের মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ব্যবসায়ী মো: বাবুল প্যাদা রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁর গতিরোধ করে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে স্থানীয় কালাম মাদবারের ছেলে খবির মাদবার (২৮),ইউনুচ মাদবারের ছেলে বেল্লাল (৩৫) ও হজের আলীর খাঁর ছেলে ফিরোজ খাঁ (৩৬) টর্চ লাইট দিয়ে পিটিয়ে মাথা ফাটায়। পরে খবির মাদবার ব্যাগে থাকা দোকানের ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে খালি ব্যাগ ফেলে চলে যায় বলে বাবুলের অভিযোগ। দশমিনা থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অপরদিকে বেল্লাল মাদবারের মাথা টর্চ লাইট দিয়ে পিটিয়ে আগে বাবুল প্যাদা ফাটিয়েছেন বলে তাঁর দাবী। তিনি মার ছাড়াতে গিয়েছিলেন। টাকা ছিনতাইয়ের বিষয় তিনি জানেন না। তিনিও একই হাসপাতালে ভর্তি।
দশমিনা থানার এএসআই মো: জামান ওই রাতেই ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ওই টাকার ব্যাক উদ্ধার করে বাবুলের মায়ের কাছে দিয়ে ছিল। বাবুলকে মারধর করা হয়েছে সত্য । তবে তাঁর মতে টাকা ছিনতাইয়ের বিষয়টি সঠিক নয় বা কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি।

বরিশাল/ এএম/ ইএম

পাঠকের মতামত:

[wpdevart_facebook_comment facebook_app_id="322584541559673" curent_url="" order_type="social" title_text="" title_text_color="#000000" title_text_font_size="22" title_text_font_famely="monospace" title_text_position="left" width="100%" bg_color="#d4d4d4" animation_effect="random" count_of_comments="3" ]
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য
Developed by: NEXTZEN-IT