বানারীপাড়ার বিশারকান্দীতে ছেলেকে রক্ষা করতে প্রাণ দিলেন পারুল রায় বানারীপাড়ার বিশারকান্দীতে ছেলেকে রক্ষা করতে প্রাণ দিলেন পারুল রায় - For update barisal news visit barisallive24.com
বরিশাল, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং। সর্বশেষ আপডেট: ৪ ঘন্টা আগে
শিরোনাম
দশমিনায় ছাত্রলীগ সম্পাদক হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ঝালকাঠি-১ আসনে আ. লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মনিরুজ্জামান মানিরের গণসংযোগ কাঁঠালিয়ায় ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ ঝালকাঠিতে ৫৭৭টি পরিবারকে গৃহ নির্মাণ করে দিচ্ছে সরকার ঝালকাঠির বিভিন্ন খালে বিষ প্রয়োগে মাছ শিকার ॥ হুমকির মুখে পরিবেশ ও জনজীবন ঝালকাঠি আদালতের সামনে বাদীকে আসামী পক্ষের মারধর ॥ আটক ১ রাজাপুরে ধর্ষণের শিকার স্কুল ছাত্রী হাসপাতালে ভর্তি রাজাপুর ও কাঠালিয়া আসনে আ.লীগের মনোনয়ন চাইছেন একমাত্র নারী প্রার্থী শিক্ষাবিদ ফাতিনাজ ফিরোজ নলছিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশুর টিকা সংকট বানারীপাড়ায় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে সাংবাদিক সুজন হালদার’র মতবিনিময় সভা

বরিশাল লাইভ ডেস্ক


বানারীপাড়ার বিশারকান্দীতে ছেলেকে রক্ষা করতে প্রাণ দিলেন পারুল রায়

এপ্রিল ১৬, ২০১৮ ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
পার্থ প্রতীম, বানারীপাড়া প্রতিনিধিঃ বানারীপাড়ার বিশারকান্দিতে ছেলেকে রক্ষা করতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার পারুল রায় (৭০) ১৯ দিনপর মারাগেছেন। রোববার সকালে ঘরের দরজা খোলা, ভেতরে তার লাশ দেখতে পায় এলাকাবাসী। ঢাকায় অবস্থানরত ছেলে-মেয়েরা এসে পুলিশে খবর দিলে রাতে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।  গতকাল সোমবার লাশ ময়না তনেত্মর জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। সহকারী পুলিশ সুপার (বানারীপাড়া -উজিরপুর সার্কেল) মো. আকরামুল হক ও ওসি সাজ্জাদ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নিহত পারুল রায়ের ছেলে সুখ রয়ের বক্তব্য, এলাকার মহিলা ইউপি সদস্য হেলেনা বেগম ও সরেজমিনে এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে গত ২৭ মার্চ  একটি গাছের  নারিকেল পাড়াকে কেন্দ্র করে পারুল রায়ের ছেলে রিপনকে মারধর করে প্রতিবেশি সুভাষ রায় তার ছেলে পিন্টু রায় ও মেয়ে রুনা রায়। এসময় ছেলেকে রক্ষা করতে মা পারুল রায় এগিয়ে গেলে পিন্টু ও রুনা তাকে বেদম মারপিট করে। এতে পারুল গুরুত্বর আহত হয়। তাকে স্বরূপকাঠি নিয়ে নামকাওয়াস্তে চিকিৎসা করানো হয়। এলাকাবাসী তার চিকিৎসা করানোর জন্য দায়ীত্ব দেন সুভাষ রায়ের ভাই বিভাস রায়কে। কিন্তু শনিবার দিনগত রাতে ছেলেদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলে ঘুমাতে যান। পরের দিন রোববার সকালে বিভাস রায় পারুল রায়কে ফোন করেন। সে ফোন রিসিভ না করায় নিজে না গিয়ে পাশের ঘরের সূর্য রায়ের স্ত্রীকে দেখতে পাঠান। সে গিয়ে ঘরের দরজা খোলা এবং ঘরের মধ্যে পারম্নলকে মৃত দেখে ডাক চিৎকার দিলে লোকজন গিয়ে অবস্থা দেখে ছেলে মেয়েদের খবর দেয়। বিকেলে তারা আসারপর মেয়রা মায়ের শরীরের অবস্থা দেখে ময়না তদন্ত করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। অপরদিকে দ্রুত সৎকার করানোর জন্য তৎপর হয়ে ওঠে বিভাস রায় ও সুভাষ রায় গংরা। এমনকি যাতে ময়না তদন্ত না হয় সেজন্য নানা ধরনের তদবীর শুরু করে। এসময় খবর দিলে লবনসরা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইন্সপেক্টর (তদন্ত) নকীব আকরাম হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পারুল রায়ের বড় ছেলে শিমোন রায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করার প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত ছিলেন। ওসি মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, এএসপি সার্কেল ও তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মামলার রুজুর প্রক্রিয়া চলছে। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাঠকের মতামত:

[wpdevart_facebook_comment facebook_app_id="322584541559673" curent_url="" order_type="social" title_text="" title_text_color="#000000" title_text_font_size="22" title_text_font_famely="monospace" title_text_position="left" width="100%" bg_color="#d4d4d4" animation_effect="random" count_of_comments="3" ]
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য
Developed by: NEXTZEN-IT